খুলনা, বাংলাদেশ | ২৯শে শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ১৩ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

Breaking News

  ‎ডুমুরিয়ায় তিন বিলের পানি নিষ্কাশনে স্লুইস গেটের পলি অপসারণ স্বেচ্ছাশ্রমে
  কর্ণফুলী নদী থেকে অজ্ঞাত তরুণীর বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার
  মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে তরুণদের হাতে ফুটবল বিতরণ করলেন যুবনেতা শেখ হুমায়ূন কবির
  লিফলেট বিতরণ কর্মসূচি সফল করতে নিরাপদ খুলনা চাই-এর প্রস্তুতি সভা
  অসুস্থ মায়ের সুস্থতা কামনায় সবার কাছে দোয়া চাইলেন উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহাগ
  ডুমুরিয়া সদর ইউনিয়নের উন্নয়নের প্রত্যয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোল্লা আবরার হোসেন সৈকতের দোয়া ও সমর্থন কামনা
  ১১ বছরের পথচলায় খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়: উৎসবের সঙ্গে নতুন স্বপ্নের অঙ্গীকার
  খর্নিয়া ইউপি নির্বাচন ঘিরে সরগরম রাজনৈতিক অঙ্গন, তৃণমূলের আলোচনায় বিএনপি নেতা শেখ শাহিনুর রহমান
  দাকোপে ৩ দিনের ভারী বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত জনজীবন।
  ডুমুরিয়ার খর্নিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় বি এনপি নেতা আবুল কাশেম

কেরানীগঞ্জ থেকে সাভার: ১১ ঘটনায় একই গোষ্ঠী, নাশকতার পরিকল্পনা

[ccfic]

ডেস্ক :

ঢাকার সাভারের সাধাপুর এলাকায় মসজিদের মাঠে একটি নীল রঙের প্লাস্টিকের ড্রাম পড়ে থাকতে দেখে এগিয়ে যান স্থানীয় ব্যক্তিরা। ড্রামের ভেতরে ছিল স্কচটেপে মোড়ানো একটি প্রেশার কুকার। স্থানীয় লোকজন ড্রাম থেকে প্রেশার কুকারটি বের করে মাঠে রেখে পুলিশকে খবর দেন।সাভারের ভবানীপুর পুলিশ ক্যাম্পের দায়িত্বপ্রাপ্ত উপপরিদর্শক ইমরান হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, খবর পেয়ে বুধবার (গতকাল) সকাল আটটার দিকে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে কালো স্কচটেপে মোড়ানো প্রেশার কুকারটি দেখতে পায়। এরপর ঢাকা থেকে বোমা নিষ্ক্রিয়করণ ইউনিট গিয়ে বোমাটি নিষ্ক্রিয় করে। এ সময় প্রচণ্ড শব্দে আশপাশে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।স্থানীয় একাধিক বাসিন্দার বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, তিন অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তি রাতে প্লাস্টিকের ড্রামটি মসজিদের মাঠে রেখে যায়। তাদের শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে।সাধাপুরের এ ঘটনার আগের রাতে সাভারের দক্ষিণ শ্যামপুর এলাকায় তিনতলা একটি বাড়িতে অভিযান চালিয়ে ঢাকা মহানগর পুলিশের কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিট ১১টি পাইপ বোমাসহ (আইইডি) বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক দ্রব্য উদ্ধার করে। তার আগে গত মঙ্গলবার দুপুরে সাভারের হেমায়েতপুর থেকে গ্রেপ্তার করা হয় মোহাম্মদ আরিফ নামের এক যুবককে। তাঁর তথ্যের ভিত্তিতে দক্ষিণ শ্যামপুরের ওই বাড়িতে অভিযান চালানো হয়।শুধু সাভারের এই দুই ঘটনাই নয়, গত বছরের ২৬ ডিসেম্বর ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের আল কুরা মাদ্রাসায় বিস্ফোরণের পর অন্তত আটটি ঘটনায় নব্য জেএমবি সদস্যরা জড়িত বলে তথ্য পেয়েছেন তদন্তসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।তদন্তসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলেন, বিস্ফোরণের পর কেরানীগঞ্জের ওই মাদ্রাসা থেকে একটি মুঠোফোন উদ্ধার করা হয়। ওই মুঠোফোনে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ১ ফেব্রুয়ারি যশোরের বাঘারপাড়ায় নব্য জেএমবির শীর্ষ পর্যায়ের নেতা হাফিজ খালিদ ইব্রাহিমের ব্যক্তিগত গাড়িচালকের বাসায় যৌথ বাহিনী অভিযান চালায়। সেখান থেকে ১০টি শক্তিশালী গ্রেনেড, ৩টি বিদেশি পিস্তল, পিস্তলের ১৯টি গুলি, ১টি চাপাতি, ১টি ছুরি ও ১টি ক্ষুর উদ্ধার করা হয়।এ ছাড়া ২১ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর যাত্রাবাড়ীর কুতুবখালী এলাকায় তল্লাশিচৌকিতে পুলিশের ওপর হামলা, কুমিল্লার একটি মন্দিরে ৭ মার্চ বোমা হামলা, ১২ মার্চ ফেনীতে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের এক ব্যক্তিকে কুপিয়ে হত্যা, ২৫ মার্চ যাত্রাবাড়ীর জনপদ মোড়ে তল্লাশির সময় পাইপ বোমা বিস্ফোরণ, ২২ জুন উত্তরার দক্ষিণখানে রাষ্ট্রীয় একটি গোয়েন্দা সংস্থার কর্মকর্তাদের ওপর বোমা হামলা, ২৪ জুলাই মতিঝিল মেট্রোরেল স্টেশনের নিচে একটি ছাতার ভেতর থেকে বোমা উদ্ধার, ৩০ জুলাই আশুলিয়া এলাকার একটি মুদিদোকান থেকে প্রেশার কুকার বোমা উদ্ধার করা হয়। কেরানীগঞ্জের মাদ্রাসায় বিস্ফোরণ, যশোরে গ্রেনেড ও অস্ত্র উদ্ধার এবং সর্বশেষ সাভারের ২টিসহ মোট ১১টি ঘটনায় উগ্রপন্থী একই গোষ্ঠী জড়িত এবং তাদের বড় নাশকতার পরিকল্পনা রয়েছে বলে তদন্তসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন। তদন্তসংশ্লিষ্ট সিটিটিসি ও অ্যান্টি–টেররিজম ইউনিটের (এটিইউ) কর্মকর্তারা বলেন, বড় নাশকতার পরিকল্পনা রয়েছে বলে তাঁরা খবর পেয়েছেন। সেই পরিকল্পনার অংশ হিসেবে ২৪ জুলাই মেট্রোরেল স্টেশনের নিচে ছাতার ভেতরে বোমা রাখা হয়েছিল।সাভারে গ্রেপ্তার আরিফকে জিজ্ঞাসাবাদের বরাত দিয়ে সিটিটিসির একজন কর্মকর্তা প্রথম আলোকে বলেন, বড় ধরনের নাশকতার পরিকল্পনা নিয়ে সাভারের আশুলিয়া এলাকার একটি মুদিদোকানে প্রেশার কুকার বোমাসহ একটি ব্যাগ ফেলে এসেছিলেন তাঁরা।এ বিষয়ে সিটিটিসির প্রধান ও পুলিশের উপমহাপরিদর্শক মোহাম্মদ শামসুল হক প্রথম আলোকে বলেন, প্রতিটি ঘটনা তদন্ত হচ্ছে। পুলিশি নজরদারি ও গোয়েন্দা কার্যক্রম অব্যাহত আছে। সর্বশেষ অভিযানটি তারই অংশ।সাভারের দক্ষিণ শ্যামপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে তিন মিনিট হাঁটলেই আবদুল জলিলের তিনতলা বাড়ি। তৃতীয় তলায় তিনি থাকেন পরিবার নিয়ে। বাড়িটির পেছন দিকে বারান্দাসহ দুই কক্ষের একটি ফ্ল্যাট। একটি কক্ষ তালাবদ্ধ। অন্য কক্ষটি ২ আগস্ট ভাড়া নিয়েছিলেন এক ব্যক্তি। বাড়ির মালিককে দেওয়া পরিচয়পত্রে তাঁর নাম লেখা আব্বাস আলী, বাড়ি পাবনায়।বাড়ির মালিকের মেয়ে জবেনূর জিদনী গতকাল বুধবার প্রথম আলোকে বলেন, ‘টু লেট’ দেখে ২ আগস্ট বাসা দেখতে আসেন আব্বাস আলী। পরিবার নিয়ে থাকবেন বলে জাতীয় পরিচয়পত্র দিয়ে বাসাটি ভাড়া নেন। নিজেকে ট্রাকচালক বলে পরিচয় দেন। ৫ আগস্ট এসে ওই কক্ষে সিলিং ফ্যান লাগান। এরপর ওই বাসায় কারা যাতায়াত করত, তাঁরা জানতেন না। মঙ্গলবার পুলিশ এসে বাড়ির মালিকের মেয়েকে সঙ্গে নিয়ে ওই কক্ষে ঢুকে।মঙ্গলবার মধ্যরাত পর্যন্ত ওই তিনতলা বাড়ি ঘিরে রেখে কক্ষটিতে অভিযান চালায় সিটিটিসি ও সাভার থানা–পুলিশ। এর আগে হেমায়েতপুর থেকে গ্রেপ্তার করা হয় মোহাম্মদ আরিফকে। পুলিশের ভাষ্যমতে,গ্রেপ্তারের সময় আরিফের কাছ থেকে একটি ব্যাগে ভর্তি পাঁচটি বোমা (জিআই পাইপের মধ্যে তৈরি), ছুরিসদৃশ্য তিনটি বোমা ও বোমা তৈরির বিভিন্ন সরঞ্জাম পাওয়া যায়। তাঁর তথ্যের ভিত্তিতে সিটিটিসি এবং ডিএমপির বোমা নিষ্ক্রিয়কারী দল ওই তিনতলা বাড়িতে অভিযান চালায়।জব্দ তালিকা অনুযায়ী, বাড়িটির ওই কক্ষ থেকে ছয়টি বোমা এবং বোমা তৈরির বিপুল পরিমাণ সরঞ্জাম—রাসায়নিক পদার্থ, বারুদ, গানপাউডার, ইলেকট্রিক তার, বিয়ারিং বল, নাইট্রিক অ্যাসিড, প্লাস্টিকের কনটেইনার উদ্ধার করা হয়েছে।এ ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে ঢাকার সাভার থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা করেছে। মামলায় মোহাম্মদ আরিফ (২৬), নাজমুল হাসান মামুন (৩২), মো. আব্বাস আলী (৩০), কামাল হোসেন ডাক্তার (৪৫), বাপ্পী (৩০), রাকিবসহ (৩০) অজ্ঞাতপরিচয় আরও ছয়-সাতজনকে আসামি করা হয়।মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, আসামিরা সরকার কর্তৃক নিষিদ্ধঘোষিত সংগঠন নব্য জেএমবির সদস্য। নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করতে বিস্ফোরক দ্রব্যসহ তাঁরা সাভার এলাকায় জড়ো হন। আরিফ ছাড়া অন্য আসামিরা পলাতক। তাঁরা নিষিদ্ধ সংগঠনের আদর্শকে সমর্থন করে জননিরাপত্তা বা সার্বভৌমত্ব বিপন্ন এবং মানুষের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যকে হত্যার চেষ্টায় লিপ্ত রয়েছেন।হেমায়েতপুরে অভিযানে থাকা সিটিটিসির একজন কর্মকর্তা প্রথম আলোকে বলেন, ওই বাসায় আব্বাস আলী, আরিফ, নাজমুল হোসেন ওরফে মামুনসহ কয়েকজনের আসা–যাওয়া ছিল। অন্যদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।সাভারে পরপর দুটি অভিযান ও বোমা উদ্ধারের ঘটনা নিয়ে গতকাল রাত পর্যন্ত পুলিশের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি। ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গণমাধ্যম ও জনসংযোগ বিভাগ থেকে মঙ্গলবার রাতে খুদে বার্তায় গণমাধ্যমকে জানানো হয়েছিল, মতিঝিলসহ বিভিন্ন স্থানে বোমা উদ্ধারের ঘটনায় আসামি গ্রেপ্তারের বিষয়ে বুধবার দুপুর সাড়ে ১২টায় সংবাদ সম্মেলন করবেন সিটিটিসির প্রধান। এর ১৫ মিনিট আগে জানানো হয়, অনিবার্য কারণবশত সংবাদ সম্মেলনটি স্থগিত করা হয়েছে।আরিফ সম্পর্কে যা জানা গেল

সিটিটিসির সূত্র বলছে, সাভারের হেমায়েতপুর এলাকা থেকে গ্রেপ্তার আরিফ নব্য জেএমবির সদস্য। ২০২৩ সালে গাজীপুরের টঙ্গী পূর্ব থানায় তাঁর বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা হয়। ওই মামলায় ২০২৪ সালের ১ আগস্ট তাঁকে ঢাকা থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। ৫ আগস্ট গণ–অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর তিনি কারাগার থেকে মুক্তি পান। তাঁর গ্রামের বাড়ি কিশোরগঞ্জ জেলার কটিয়াদী উপজেলায়। মামলায় তাঁর বর্তমান ঠিকানা ছিল টঙ্গীর ভরান এলাকায়। প্রথম আলোর গাজীপুর প্রতিনিধি গতকাল বিকেলে ওই ঠিকানায় গিয়ে আরিফের খালাতো ভাই জালাল উদ্দিনকে পান। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, টঙ্গীর ইসলাম গ্রাফিকস অ্যান্ড প্রিন্টার্সে একসময় আরিফ গ্রাফিকসের কাজ করতেন। ২০২৩ সালে ১৩ সেপ্টেম্বর আরিফকে ঢাকার কুড়িল বিশ্বরোড এলাকা থেকে পুলিশ গ্রেপ্তার করে। এর পর থেকে তাঁর সঙ্গে কোনো যোগাযোগ ছিল না জালালের।ঘুরেফিরে কয়েকজন সিটিটিসির সূত্র বলছে, দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের মাদ্রাসায় বিস্ফোরণের ঘটনার মামলায় গ্রেপ্তার শেখ আল আমিন, অলি উল্লাহ জনি; সাভারের ঘটনায় গ্রেপ্তার আরিফ, পলাতক মামুন ও বাপ্পী নামের সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যাচ্ছে সাম্প্রতিক ঘটনাগুলোয়। মামুন ৯ বছর আগে জঙ্গিবাদের মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে ৫ আগস্টের পর জামিনে বের হন। ২০১৭ সালে রাজধানীর পান্থপথের হোটেল ওলিওতে বোমা বিস্ফোরণে সাইফুল ইসলাম নামের একজন নিহত হন। তবে চলতি বছরের জানুয়ারিতে হোটেল ওলিওতে বোমা বিস্ফোরণের মামলায় মামুনসহ সব আসামিকেই খালাস দেন ঢাকার একটি আদালত।ঢাকা জেলা পুলিশ সূত্র জানায়, কেরানীগঞ্জের বিস্ফোরণের ঘটনায় এখন পর্যন্ত ১৭ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। প্রথমে গ্রেপ্তার করা হয় মো. উজায়ের হোসেন নামের এক যুবককে। এর আগে গ্রেপ্তার করা হয় শেখ আল আমিন ও তাঁর স্ত্রী আছিয়া বেগমকে। আছিয়া বেগম কেরানীগঞ্জের ওই মাদ্রাসা পরিচালনা করতেন এবং বিস্ফোরণে আহত হয়েছিলেন। তাঁকেসহ বাচ্চাদের হাসপাতালে রেখে আল আমিন পালিয়ে গিয়েছিলেন। পরে গ্রেপ্তার হন। শেখ আল আমিন ২০১৭ সালে ও ২০২০ সালে দুই দফা গ্রেপ্তার হয়েছিলেন উগ্রবাদী তৎপরতা–সংক্রান্ত মামলায়। সর্বশেষ ২০২৩ সালে আল-আমিন জামিনে বেরিয়ে আসেন। তাঁর বাড়ি বাগেরহাটের মোল্লাহাট উপজেলার সারুলিয়া গ্রামে। তাঁর ঘনিষ্ঠ সহযোগী অলি উল্লাহ জনি ২০১৭ সালে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা, রূপগঞ্জ ও নরসিংদী থানার মামলায় গ্রেপ্তার হন। ২০২৩ সালে জামিনে মুক্ত হন। জনি ও আল আমিন ‘গুম’ করে রাখার অভিযোগ এনে গণ-অভ্যুত্থানের পর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে মামলা করেন। ওই মামলায় পুলিশের কয়েকজন কর্মকর্তার বিচারও চলছে।

আরও সংবাদ

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

©2025 khulnarsamayerkhobor .com

Developed By: ShimantoIT